সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ লোড করা হচ্ছে...

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ভিআইপি মর্যাদা: পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে সরকারের উদ্যোগ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ০২, ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (VIP) হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তাঁর জন্য পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 






একই সাথে, দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত জিয়া পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ​

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনায় সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট, ২০২১ (Special Security Force Act, 2021)-এর ২(ক) ধারা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়াকে এই ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। ​

নিরাপত্তা নিশ্চিতের কারণ ​দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী এবং অসুস্থতা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পর সম্প্রতি গণ-অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এরপর থেকেই তিনি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। ​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং সব দলের প্রতি সহনশীলতা প্রকাশের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তা ​যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনটি সরাসরি বেগম খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করেই জারি করা হয়েছে, কিন্তু বিএনপি এবং রাজনৈতিক মহলে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা তুঙ্গে। ​তারেক রহমান: দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে তাঁকে নিরাপদে দেশে ফেরানোর জন্য নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। ​অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছেন যে তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। ​⚖️ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের অভিযোগ খণ্ডন ​দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন সরকারের সময় জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে আনিত মামলাগুলো নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের অভিযোগ ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ইতোমধ্যে কয়েকটি দুর্নীতির মামলা থেকে খালেদা জিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে। নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে সরকার দেশে সহাবস্থান এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরির বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ​এটি একদিকে যেমন বিএনপি প্রধানের শারীরিক অবস্থার প্রতি সরকারের মানবিকতা প্রকাশ করছে, তেমনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেত্রীর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান ও সুরক্ষাকে নিশ্চিত করছে।

Comments

Post a Comment