যুক্তরাজ্যের বাজারে ২০২৯ সাল পর্যন্ত পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা উপভোগ করবে বাংলাদেশ। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় এইচএসবিসি ব্যাংক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ২০২৯ সালের পরেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৯২ শতাংশ পণ্য এই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকবে। সারাহ কুকের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাংলাদেশের পণ্য রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে।
মূল বিষয়সমূহ:
* সময়সীমা: বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বাজারে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পাবে।
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ২০২৯ সালের পর থেকে তৈরি পোশাকসহ মোট ৯২ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে এই শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
* তাৎপর্য: এটি বাংলাদেশের রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে এবং যুক্তরাজ্যের সাথে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে।
* উৎস: ৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এইচএসবিসি-র এক অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এই বক্তব্য দেন। যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধার মেয়াদ ও রূপরেখা
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বর্তমান শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখবে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৯ পরবর্তী সময়েও একটি বিশেষ কাঠামোর আওতায় তৈরি পোশাক খাতসহ বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশের রফতানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনয়ন এবং যুক্তরাজ্যের সাথে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে।

Comments
Post a Comment