বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চীনের সাথে একটি জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রকল্পের মূল তথ্যাবলি:
- প্রকল্পের উদ্দেশ্য: দেশে ড্রোন (UAV) তৈরির কারখানা স্থাপন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর (Transfer of Technology)।
- মোট চুক্তিমূল্য: ৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকা।
- চুক্তি হবে যার সাথে: চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনাল’।
- বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
অর্থায়ন ও পরিশোধ পরিকল্পনা:
- মূল যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি আমদানির জন্য ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করা হবে।
- এই অর্থ ৪টি অর্থবছরে (চলতি অর্থবছর থেকে ২০২৮-২৯ পর্যন্ত) ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে।
- বাকি অর্থ ভ্যাট ও এলসি চার্জ হিসেবে দেশীয় মুদ্রায় দেওয়া হবে।
- এই প্রকল্পের জন্য বাজেটে আলাদা কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না; বিমান বাহিনীর বাৎসরিক বাজেট থেকেই এটি সংকুলান করা হবে।
প্রকল্পের গুরুত্ব:
- এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ দেশেই সামরিক ড্রোন উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা অর্জন করবে।
- দীর্ঘমেয়াদে বিদেশ থেকে ড্রোন আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং প্রতিরক্ষা খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাড়বে।
বর্তমান অবস্থা:
- অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রধান উপদেষ্টা (যিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে আছেন) ইতোমধ্যে প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছেন। বর্তমানে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

Comments
Post a Comment