ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
হতাহত ও গ্রেপ্তারের পরিসংখ্যান (অধিকার গোষ্ঠী এইচআরএএনএ-এর তথ্যমতে):
- মোট নিহত: ৫০০-এর বেশি (এর মধ্যে ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা কর্মী)।
- গ্রেপ্তার: গত দুই সপ্তাহে ১০,৬০০-এর বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- দ্রষ্টব্য: ইরান সরকার এখনো কোনো সরকারি মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও হুঁশিয়ারি:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ওপর বল প্রয়োগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা, সাইবার অস্ত্র ব্যবহার, নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি এবং বিরোধীদের অনলাইনে সহায়তা দেওয়ার মতো 'কঠোর বিকল্প' বিবেচনা করছে।
- ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ পুনরুদ্ধারে ট্রাম্প ইলন মাস্কের স্টারলিংক সেবা ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়েছেন।
ইরানের পাল্টা হুমকি ও অবস্থান:
- ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েল তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।
- ইরান সরকার এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে এবং একে 'সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড' বলে অভিহিত করেছে।
- বিক্ষোভ দমনে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিক্ষোভের পটভূমি:
- গত ২৮ ডিসেম্বর (২০২৫) দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন ইসলামি শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
- তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে রাতে মশাল মিছিল, স্লোগান এবং সংঘর্ষের ভিডিও পাওয়া গেছে।
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি:
- ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিব সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জানিয়েছেন।

Comments
Post a Comment