![]() |
| বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড |
বিসিবির নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সর্বোচ্চ স্তর তথা ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরির জন্য মাসিক ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও পারফরম্যান্সের মানদণ্ডে এই ধাপে কাউকে যোগ্য মনে করেনি বোর্ড। ফলে ৮ লাখ টাকা বেতনের ‘এ’ ক্যাটাগরিই এখন চুক্তির শীর্ষ স্তর হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই ক্যাটাগরিতে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে রয়েছেন জাতীয় দলের তিন সংস্করণের তিন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং লিটন কুমার দাস। মূলত শীর্ষ তারকাদের পারফরম্যান্সে কিছুটা ভাটা এবং তরুণদের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই বিসিবি এমন কঠোর অবস্থানে গিয়েছে বলে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মধ্যম সারির ‘বি’ ক্যাটাগরিতে এবার ব্যাপক পরিবর্তন ও পদোন্নতি দেখা গেছে। ৬ লাখ টাকা মাসিক বেতনের এই স্তরে জায়গা পেয়েছেন রিশাদ হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, শেখ মেহেদী হাসান ও সাদমান ইসলাম, যারা আগে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন। এছাড়া অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররাও এই ক্যাটাগরিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। তাদের সঙ্গে আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন উদীয়মান তারকা তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা। তরুণদের এই উত্থান বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি নতুন প্রতিযোগিতামূলক আবহ তৈরি করেছে।
চুক্তির তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন মুখ এবং প্রত্যাবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, হাসান মুরাদ ও তানভীর ইসলাম। এর পাশাপাশি বাদ পড়ার পর আবারও চুক্তিতে ফিরেছেন নাঈম হাসান, শামীম হোসেন এবং নুরুল হাসান সোহান। তালিকার নিচের দিকে থাকা ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরিতেও এসেছে বড় রদবদল। ৪ লাখ টাকা বেতনের ‘সি’ গ্রেডে সৌম্য সরকার, জাকের আলী অনিক ও শরিফুল ইসলামের সঙ্গে রাখা হয়েছে নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদকে। অন্যদিকে ২ লাখ টাকা বেতনের ‘ডি’ গ্রেডে নতুন ও পুরনো মিলিয়ে একঝাঁক ক্রিকেটারকে রেখে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি।

Comments
Post a Comment