![]() |
| পাকিস্তান ক্রিকেট দল |
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার পাকিস্তান সরকারের ঘোষণায় বিশ্ব ক্রিকেটে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই অচলাবস্থা নিরসনে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা জরুরি ভিত্তিতে পাকিস্তান সফর করছেন। গতকাল লাহোরে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এবং বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস বৈঠক করেছেন তিনি।
ম্যাচ বয়কট এড়াতে পাকিস্তানের কঠিন শর্ত
টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট ও এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারির হাইভোল্টেজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিসির কাছে তিনটি প্রধান শর্ত জুড়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
শর্তগুলো হলো:
১. লভ্যাংশ বৃদ্ধি: আইসিসির বাৎসরিক আয়ের খাত থেকে পাকিস্তানের বর্তমান বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে।
২. দ্বিপক্ষীয় সিরিজ পুনরারম্ভ: ২০১৩ সালের পর থেকে বন্ধ থাকা ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সিরিজ পুনরায় চালু করার লিখিত নিশ্চয়তা চায় পাকিস্তান।
৩. আচরণবিধি ও সৌজন্যতা: ২০২৫ এশিয়া কাপে ভারতীয় ক্রিকেটারদের আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পিসিবি। ভবিষ্যতে দুই দলের ম্যাচে খেলোয়াড়দের মধ্যে করমর্দন ও সৌজন্যমূলক আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ইস্যু ও আইসিসির ভূমিকা
আলোচনায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গটিও গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে। এনডিটিভির মতে, পিসিবি বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে টুর্নামেন্ট আয়োজনের স্বত্ব প্রদানের দাবিও তুলেছে। উল্লেখ্য, নিরাপত্তার অজুহাতে বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করায় আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ভারত-ম্যাচ বয়কটের ডাক দেয়।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে
পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, আইসিসির সাথে আলোচনার বিষয়বস্তু এবং সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে তিনি আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি মাঠে গড়াবে কি না।

Comments
Post a Comment