![]() |
| মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ |
নৌ-অবরোধ ও সাম্প্রতিক অভিযান:
গত ১৩ এপ্রিল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ কার্যকর করতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অন্তত ৩৩টি জাহাজকে তাদের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে মার্কিন নৌবহর। এছাড়া ভারত মহাসাগরে পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় ২০০০ মাইল দূরে দুটি জাহাজসহ মোট তিনটি জাহাজে মার্কিন সেনারা তল্লাশি চালিয়েছে। সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে ইরান থেকে তেল বহনকারী একটি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মোতায়েনকৃত যুদ্ধজাহাজের তালিকা:
সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে বর্তমানে থাকা ১৯টি যুদ্ধজাহাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- বিমানবাহী রণতরী: ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড।
- ডেস্ট্রয়ার: ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস থমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই. পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাকসহ আরও ১০টি জাহাজ।
- লিটোরাল কমব্যাট শিপ: ইউএসএস ক্যানবেরা এবং ইউএসএস তুলসা।
- অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ: ইউএসএস ট্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স এবং ইউএসএস রাশমোর।
এছাড়া ভারত মহাসাগরে ইউএসএস জন ফিন ও ইউএসএস পিনকনিসহ আরও সাতটি জাহাজ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব:
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে এতগুলো যুদ্ধজাহাজ ও দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করার অর্থ হলো ইরানকে একটি কঠোর বার্তা দেওয়া। বিশেষ করে তেলের চালানের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরণের চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বাইডেন প্রশাসন।

Comments
Post a Comment