![]() |
| শহীদ আবু সাঈদ |
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের মূল পয়েন্টসমূহ:
- সাজা: মামলার শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে দুজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
- ঘটনার প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে বুক পেতে দিয়ে শহীদ হন আবু সাঈদ। তার সেই বীরত্বগাথা আন্দোলনকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছিল।
- আসামি: মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ২৪ জন বর্তমানে পলাতক।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের অবস্থা:
মামলায় এখন পর্যন্ত ৬ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তারা হলেন:
১. শরিফুল ইসলাম (সাবেক প্রক্টর, বেরোবি)
২. রাফিউল হাসান (সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার)
৩. আনোয়ার পারভেজ (সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী)
৪. আমির হোসেন (সাবেক এএসআই, পুলিশ)
৫. সুজন চন্দ্র রায় (সাবেক কনস্টেবল, পুলিশ)
৬. ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ (ছাত্রলীগ নেতা)
আদালতের পর্যবেক্ষণ:
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তে সন্দেহাতীত ও অকাট্য প্রমাণ পাওয়ায় আদালত এই কঠোর সাজার রায় দিয়েছেন। এর মাধ্যমে জুলাই গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হলো। অন্যদিকে, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া অংশ নিয়েছিলেন।

Comments
Post a Comment