![]() |
| আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল |
ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী রায়ের শুরুতে বলেন, “আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন তার সামনে যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা মানুষ, তাই তার কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনি তখন বুঝতে পারেননি যে, সেই মানুষগুলো অমানুষ হয়ে গেছে।”
রায় ঘোষণার মুহূর্ত
দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর সংক্ষিপ্ত রায় পড়া শুরু করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে বহুল প্রতীক্ষিত এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় উপস্থিত ছয় প্রধান আসামি—সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজকে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দুই হাত প্রসারিত অবস্থায় আবু সাঈদের বুক পেতে দেওয়ার সেই দৃশ্যটি বিশ্বজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে। ট্রাইব্যুনালের আজকের এই রায় ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সেই মহান আত্মত্যাগের বিচারিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হলো।

Comments
Post a Comment