![]() |
| নাহিদা বৃষ্টি |
পোস্টে তিনি লেখেন, গত ৯ দিন কী গেছে বলতে পারবো না। বৃষ্টি ছিল আমেরিকায় আসার পর প্রথম বন্ধু। এডমিশন হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকেই প্রতিদিন কথা হতো। ট্যাম্পায় আসার পর কাউকে চিনতাম না, সারাদিন ঘুরে বেড়াতাম বৃষ্টি আর নিশাতের সঙ্গে। ফোন ভর্তি বৃষ্টির ছবি। ফেসবুকে ঢুকলেও টুকরা করার সংবাদ। জামিলের সঙ্গে অল্প কথা হলেও খুব ইনোসেন্ট একটা ছেলে। কী অসম্ভব চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি বোঝানো যাবে না।
নাহিদা বৃষ্টি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। তার পৈতৃক বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। গত ১৬ এপ্রিল থেকে সহপাঠী জামিল লিমনসহ তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হলেও বৃষ্টির লাশ এখনো পাওয়া যায়নি। পুলিশ আশঙ্কা করছে, হত্যার পর তার মরদেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং তা উদ্ধার করা কার্যত অসম্ভব হতে পারে।
নিহতের ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত এবং নোবিপ্রবির অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফতেহ নুর রোবেল বৃষ্টির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

Comments
Post a Comment