![]() |
| ম্যাচের দৃশ্য |
গোলের লড়াই ও রিয়ালের ছন্দ
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ১ মিনিটেই রিয়াল গোল করে এগিয়ে গেলেও ৬ মিনিটে সমতা ফেরায় বায়ার্ন। ২৯ ও ৪২ মিনিটে আরও দুটি গোল করে প্রথমার্ধেই ২–৩ ব্যবধানে লিড নেয় মাদ্রিদ। কিন্তু বায়ার্ন হাল ছাড়েনি, ৩৮ মিনিটে একটি গোল করে লড়াইয়ে টিকে ছিল তারা।
শৃঙ্খলাহীন রিয়াল ও লাল কার্ডের ধাক্কা
দ্বিতীয়ার্থে বায়ার্ন ৬৭% বল দখল রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। বায়ার্নের হ্যারি কেন ও মাইকেল ওলিসের ক্রমাগত আক্রমণের মুখে রিয়ালের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। মেজাজ হারিয়ে রিয়ালের খেলোয়াড়রা একে একে পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন রিয়ালের দুজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ৯ জনের দলে পরিণত হওয়া রিয়ালের রক্ষণ শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।
দুই মিনিটের মহাকাব্যিক সমাপ্তি
৮৯ মিনিট পর্যন্ত রিয়াল ৩–২ এ এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক স্কোর ছিল ৩–৩। তখনই শুরু হয় বায়ার্নের ম্যাজিক:
- ৮৯ মিনিট: সমতাসূচক গোল করে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনাকে উৎসবে ভাসায় বায়ার্ন।
- ৯০ মিনিট: ১ মিনিট না পেরোতেই জয়সূচক চতুর্থ গোল!
মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচটি রিয়ালের হাত থেকে কেড়ে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ।
ব্যর্থ এমবাপে-ভিনিসিউস, উজ্জ্বল কেন-ওলিসে
কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিউস জুনিয়র চেষ্টা করলেও দলের ৯ জনে নেমে আসা এবং শৃঙ্খলাহীনতা তাদের ম্লান করে দেয়। অন্যদিকে বায়ার্নের রক্ষণে ম্যানুয়েল নয়্যার ছিলেন হিমালয়ের মতো অটল।
সেমিফাইনালের লাইনআপ
এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ মুখোমুখি হবে কিলিয়ান এমবাপের সাবেক ক্লাব পিএসজি (PSG)-র। আগামী ২৯ এপ্রিল প্যারিসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম লেগ। অন্য সেমিফাইনালে লড়বে আর্সেনাল ও আতলেতিকো মাদ্রিদ।

Comments
Post a Comment