![]() |
| তপু বর্মণের সঙ্গে হামজা। |
এই ম্যাচটি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে কেন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, তার পেছনে রয়েছে কয়েকটি বড় কারণ। দীর্ঘ পথচলায় এটিই হবে কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শুধু তাই নয়, ইউরোপের মাটিতেও এটি বাংলাদেশের ফুটবলারদের জন্য প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, সান মারিনোর ফুটবলেও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে যোগ হবে; কারণ তারা তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো এশীয় দেশের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে।
বর্তমানে ফিফার বিশ্ব র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে। বিপরীতে সান মারিনো ২১১তম অবস্থানে থেকে তালিকার তলানিতে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তারা মাঠের পারফরম্যান্সে চমক দেখাচ্ছে। বিশেষ করে উয়েফা নেশনস লিগে লিচেনস্টাইনকে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা বিশ্ব ফুটবলের আলোচনায় এসেছিল। উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এটি ছিল তাদের ফুটবল ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় জয়। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও ঘরের মাঠে সান মারিনো বাংলাদেশের জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
বিএফএফ জানিয়েছে, এই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচের ভেন্যু, শুরুর সময় এবং সরাসরি সম্প্রচার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের জন্য এই ইউরোপ সফর একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হবে বলে আশা করছে ফেডারেশন। জাতীয় দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে বাংলাদেশের পদচারণা আরও সুসংহত হবে বলে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Comments
Post a Comment