![]() |
| ইস্তাম্বুল |
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিএনএন তূর্কে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গভর্নর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুলিশের একটি দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ দ্রুত পাল্টা গুলি চালালে একজন ‘সন্ত্রাসী’ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরও দুইজনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। গভর্নরের দাবি, পুলিশের তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে একটি বড় ধরনের নাশকতামূলক পরিকল্পনা নস্যাৎ করা এবং প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম টিআরটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল যে, তিন হামলাকারীর মধ্যে দুইজন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম নিহতের সংখ্যা তিনজন বলেও দাবি করছে। তবে গভর্নর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত একজন নিহতের তথ্যই নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার পর কনস্যুলেট এলাকাটি নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছে এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। হামলাকারীদের পরিচয় বা তারা কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই হামলার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন করার চেষ্টা করছে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আপাতত ইস্তাম্বুল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Comments
Post a Comment