![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প |
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ইরান ইস্যুতে তার প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে সরব হয়েছেন। তার বক্তব্যে একদিকে যেমন কঠোর হুঁশিয়ারি পাওয়া গেছে, তেমনি অন্যদিকে আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সুরাহার ইঙ্গিতও মিলেছে।
কঠোর হুঁশিয়ারি ও সাধারণ ক্ষমা
একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানে ‘সবকিছু উড়িয়ে দেওয়া এবং তেল দখল’ করার মতো চরমপন্থী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তবে এর পরপরই তিনি সুর নরম করে জানান, যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে বসতে আগ্রহী, তাদের জন্য ‘সাধারণ ক্ষমা’ (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করা হয়েছে। ধ্বংসাত্মক হুমকির পাশাপাশি এই ক্ষমার ঘোষণা ট্রাম্পের দ্বিমুখী কৌশলেরই প্রতিফলন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপথ্যে কুশনার ও উইটকফ
অন্য একটি মার্কিন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আলোচনায় মিশর, পাকিস্তান ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
সরাসরি যোগাযোগের গুঞ্জন
আল জাজিরার সূত্রমতে, একটি অসমর্থিত তথ্য জানাচ্ছে যে উইটকফ ও কুশনার সরাসরি টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যদিও এই তথ্যের শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি, তবে এটি ট্রাম্পের সেই বক্তব্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ যেখানে তিনি তার উপদেষ্টাদের সরাসরি যুক্ত থাকার কথা বলেছিলেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক তৎপরতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে নতুন কোনো মোড় নেয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
