![]() |
| সংবাদ সম্মেলন |
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সাংবাদিক সমিতির ৩ দফা দাবি:
১. হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২. জড়িত হামলাকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।
৩. সারা দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদ সংগ্রহের সময় সেখানে উপস্থিত অন্তত ১০ জন সাংবাদিক মারধরের শিকার হন।
ডুজা সভাপতি মনজুর হোসাইন মাহি জানান, জাগোনিউজ ও রাইজিংবিডির প্রতিনিধিদের ভিডিও ধারণে বাধা দিলে তিনি প্রতিবাদ করেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা ওবায়দুর রহমান সামিথ তাকে ধাক্কা দেন। পরবর্তীতে মুহসীন হল ছাত্রদলের সভাপতি আবুজার গিফারী ইফাত ‘ভাইরে মারছে’ বলে চিৎকার করলে প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলে পড়ে।
শনাক্তকৃত হামলাকারী:
সংবাদ সম্মেলনে প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়। উল্লেখযোগ্যরা হলেন— ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, মনসুর রাফি (মুহসীন হল), জুনায়েদ আবরার (শহীদুল্লাহ হল), সাকিব বিশ্বাস ও সুলায়মান হোসেন রবি (বিজয় একাত্তর হল), মনোয়ার হোসেন প্রান্ত (সূর্য সেন হল) এবং মমিতুর রহমান পিয়াল (বঙ্গবন্ধু হল)।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য:
সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম জানান, তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং হামলাকারীরা ‘শিবির ও জার্নালিজম একসঙ্গে চলে না’ বলে স্লোগান দেয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগেও গত দুদিনে আরও ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
পরবর্তী কর্মসূচি:
সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকরা মামলা দায়েরের উদ্দেশ্যে শাহবাগ থানায় যান। এছাড়া আজ (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাবে সাংবাদিক সমিতি।

Comments
Post a Comment