সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ লোড করা হচ্ছে...
আপনি ইসলাম বিষয়ক এই লেখাটি পড়ছেন

হজের সফর ২০২৬: প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬

 

হজ
হজ যাত্রার পূর্ব প্রস্তুতি

হজের সফরে বেরোনোর আগে নিয়ত শুদ্ধ করা জরুরি। হজের আহকাম ও মাসআলা সম্পর্কে সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে যাতে ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত আমলগুলো সঠিকভাবে আদায় করা যায়। হজযাত্রার আগে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মালপত্র গুছিয়ে নিতে হবে। পাসপোর্ট, টিকিট ও সরকারি পরিচয়পত্র সবসময় সাথে রাখার ব্যাগে সংরক্ষণ করতে হবে।

ইহরাম ও ওমরাহ

বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ হজযাত্রী প্রথমে মক্কায় যান, তাই বিমানে ওঠার আগেই ইহরাম বেঁধে নেওয়া ভালো। ইহরাম হলো সেলাইবিহীন কাপড় পরে ওমরাহ বা হজের নিয়ত করে তালবিয়া পাঠ করা। ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার, নখ বা চুল কাটা এবং ঝগড়া-বিবাদ করা নিষিদ্ধ। মক্কায় পৌঁছে প্রথমে ওমরাহ সম্পন্ন করতে হয়, যার মধ্যে রয়েছে কাবা শরিফ তওয়াফ করা, সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈ করা এবং মাথার চুল কাটা।

হজের মূল দিনগুলোর কার্যক্রম

৮ জিলহজ হজের ইহরাম বেঁধে মিনার উদ্দেশে রওনা হতে হয়। ৯ জিলহজ হজের প্রধান ফরজ কাজ হিসেবে আরাফার ময়দানে অবস্থান করতে হয়। সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে পড়ে সেখানে রাতযাপন ও শয়তানকে মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করতে হয়। ১০ জিলহজ সকালে মিনায় ফিরে বড় শয়তানকে পাথর মারা, কুরবানি করা এবং মাথা মুণ্ডন করে ইহরামমুক্ত হতে হয়। এরপর মক্কায় গিয়ে তওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করতে হয়। ১১ ও ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে তিন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করতে হয়।

আরো পড়ুন- ইসলামে হালাল উপার্জনের গুরুত্ব: একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা

মদিনা জিয়ারত

হজের আগে বা পরে মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় এবং নবীজি (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। বিশেষ করে রিয়াজুল জান্নাহ বা বেহেশতের বাগানে ইবাদত করার চেষ্টা করা উচিত।

জরুরি পরামর্শ

হজের পুরো সময়টা রুটিন করে ইবাদতে কাজে লাগানো উচিত। অন্যের দেখা দেখি আমল না করে নির্ভরযোগ্য বই বা আলেমের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করা ভালো। পুরো সফরে যেন কোনো ফরজ নামাজ কাজা না হয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

​আল্লাহ সবার হজ কবুল করুন।


Comments

Post a Comment