![]() |
| হিশাম আবুগারবিয়েহ |
আরো পড়ুন- ফ্ল্যাটে প্রচুর রক্ত, পুলিশের আশঙ্কা বৃষ্টিকেও হত্যা করা হয়েছে — লাশ আর পাওয়া যাবে না
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু এলাকা থেকে লিমনের খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। হিশামকে গ্রেপ্তারের সময় এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যেখানে পুলিশ তাঁর বাড়িতে সোয়াট টিম পাঠাতে বাধ্য হয় এবং দীর্ঘ সময় পর তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ জানিয়েছে হিশামের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে যার মধ্যে শারীরিক আঘাত ও পারিবারিক সহিংসতার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুর সংবাদ গোপন করা, আলামত নষ্ট করা এবং মৃতদেহ অবৈধভাবে সরানোর মতো প্রাথমিক অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে লিমনের সঙ্গে নিখোঁজ হওয়া আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুলিশ বৃষ্টির ফোন ক্যাম্পাসে শনাক্ত করলেও তাঁর অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। লিমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে স্থানীয় প্রশাসন।

Comments
Post a Comment