![]() |
| বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র |
ঘটনার বিবরণ:
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, প্রথম ইউনিটের চারটি কোল মিলের (কয়লা চূর্ণ করার যন্ত্র) মধ্যে দুটি হঠাৎ ভেঙে যায়। কয়লার সঙ্গে পাথর মিশে থাকার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে সচল থাকা ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতি:
- ১ম ইউনিট (১২৫ মেগাওয়াট): বুধবার রাত থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ। মেরামতের কাজ চলছে, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে সচল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- ২য় ইউনিট (১২৫ মেগাওয়াট): এটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের অভাবে বন্ধ রয়েছে। এটি চালুর বিষয়ে চীনা কোম্পানির সাথে আলোচনা চলছে।
- ৩য় ইউনিট (২৭৫ মেগাওয়াট): গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ। প্রকৌশলীদের মতে, আগামী মাসের (মে) ১৫ তারিখের মধ্যে এটি চালু হতে পারে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব:
৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই এখন অচল। উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহে এবং ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণে বড়পুকুরিয়া কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ বিভ্রাট বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তবে কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে যে, প্রথম ইউনিটটি দ্রুত সচল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে এবং আগামী মাসের মাঝামাঝিতে তৃতীয় ইউনিট ফিরলে পরিস্থিতির বড় উন্নতি হবে।

Comments
Post a Comment